হাইকোর্টের রায়; আত্মীয় ছাড়াও অন্যরা কিডনি দিতে পারবেন | আপন নিউজ

বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০১:৩৮ অপরাহ্ন

প্রধান সংবাদ
প্রেসিডেন্ট পুলিশ পদক ভূষিত হলেন গলাচিপা থানার ওসি ফেরদৌস খান গলাচিপায় জাতীয় স্থানীয় সরকার দিবস পালিত শিক্ষার্থীদের অনলাইন সেবা দিতে আমতলী সোনালী ব্যাংকের চুক্তিপত্র স্বাক্ষর কলাপাড়ায় ভূমি জালিয়াতি ও অধিগ্রহণের ৬৩ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন আমতলীতে টাকা দিয়ে ভোটারদের প্রভাবিত করার অভিযোগ মেয়র প্রার্থীর বিরুদ্ধে আমতলীতে ফুটবল খেলার দ্বন্ধের জের ধরে স্কুল ছাত্রকে পিটিয়ে জ’খ’ম আমতলীতে জাতীয় পরিসংখ্যান দিবসের র‌্যালী কলাপাড়ায় পুকুরের পানি ব্যবহার করায় জ’খ’ম-৩ কলাপাড়ায় মাসুম বিল্লাহ সাগরকে পি’টি’য়ে জ’খ’ম কলাপাড়ায় ইউপি সদস্যর উপর হামলা; হাসপাতালে ভর্তি
হাইকোর্টের রায়; আত্মীয় ছাড়াও অন্যরা কিডনি দিতে পারবেন

হাইকোর্টের রায়; আত্মীয় ছাড়াও অন্যরা কিডনি দিতে পারবেন

অনলাইন ডেস্কঃ
মানবিক বিবেচনায় ও সহানুভূতিশীল যে কেউ অন্যদের কিডনি দিতে পারবেন হাইকোর্টের রায়। মাদকাসক্ত ও কিডনি কেনাবেচা করেন- এমন ব্যক্তিদের কিডনি নেয়া যাবে না।
অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন আইন, ১৯৯৯’ এর ২ (গ), ৩ ও ৬ ধারা কেন সংবিধান পরিপন্থী ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে জারি করা রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) এ রায় ঘোষণা করা হয়েছে। হাইকোর্টের বিচারপতি মঈনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।
আদালতে বৃহস্পতিবার রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম। তার সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী খোন্দকার নীলিমা ইয়াসমিন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. সাইফুদ্দিন খালেদ।
২০১৭ সালের ২৪ আগস্ট ‘অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন আইন, ১৯৯৯’ এর ২গ, ৩ ও ৬ ধারা কেন সংবিধান পরিপন্থী ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। ফাতেমা জোহরা নামে এক নারী ২০১৫ সালে তার মেয়ে ফাহমিদাকে একটি কিডনি দান করেন। তা সত্ত্বেও মেয়ের কিডনি অকেজো হয়ে যায়। এরপর কিডনি প্রতিস্থাপনের জন্য দাতা পেলেও আইনগত বাধায় মেয়েকে কিডনি দিতে না পেরে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন।
চলতি বছরের ২৮ আগস্ট হাইকোর্ট কিডনি প্রতিস্থাপনের বিষয়ে বিশেষজ্ঞ কমিটির মতামত জানতে চান। আদেশের পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) প্রো-ভিসি ও বাংলাদেশ রেনাল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অধ্যাপক ডা. মুহাম্মদ রফিকুল আলমের নেতৃত্বে সাত সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। অন্য ছয় সদস্য হলেন- কিডনি ফাউন্ডেশনের চিফ কনসালট্যান্ট অধ্যাপক ডা. হারুন-উর-রশিদ, বিএসএমএমইউর নেপ্রোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. আসিয়া খানম, বিএসএমএমইউর ইউরোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এ কে এম খুরশিদুল আলম, বারডেম হাসপাতালের ইউরোলজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মির্জা এম এইচ ফয়সাল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. নেহাল করিম এবং জাতীয় কিডনি ডিজিজেস ও ইউরোলজি ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. নুরুল হুদা।
৭ নভেম্বর কিডনি প্রতিস্থাপন বিষয়ে সাত সদস্যের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক কমিটি আদালতে তাদের মতামত দেন। মতামতে তারা বলেন, আত্মীয় নয় এমন কারও কিডনি প্রতিস্থাপনের প্রয়োজন নেই। আইনের বাইরে অন্য কারও কিডনি প্রতিস্থাপনের সুযোগ তৈরি হলে দেশের দরিদ্র মানুষের জীবন সবচেয়ে ঝুঁকির মধ্যে পড়বে। ধনীরা বাণিজ্যিকভাবে এর ব্যবহার শুরু করবে। এতে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ পাচারের মাত্রা বাড়বে।
তবে বিশেষজ্ঞ কমিটির মতামতের সঙ্গে ভিন্নমত পোষণ করেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। তিনি বলেন, মানবদেহে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন বিষয়ে বিদ্যমান আইন সংশোধন হওয়া প্রয়োজন। কারণ, এ আইনে নিকটাত্মীয় ছাড়া অন্য কারও অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দানের সুযোগ রাখা হয়নি। তাই একজন সুস্থ মানুষ চাইলে অন্য কাউকে তার অঙ্গদান করতে পারবেন- এমন আইন থাকা উচিত।

আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved 2022 © aponnewsbd.com

Design By JPHostBD
error: সাইটের কোন তথ্য কপি করা নিষেধ!!