রবিবার, ২৫ Jul ২০২১, ১০:০৬ অপরাহ্ন

যশোরের শার্শায় ধর্ষণের প্রতিবাদে মানববন্ধন

যশোরের শার্শায় ধর্ষণের প্রতিবাদে মানববন্ধন

মোঃ জসীম উদ্দীন,বেনাপোলঃ

“হারবে ধর্ষক, জিতবে দেশ, ধর্ষণ মুক্ত বাংলাদেশ” এই স্লোগানে নোয়াখালী সহ দেশব্যাপী ধর্ষণ ও নারী সহিংসতা এবং ধর্ষকদের “দ্রুত বিচার আইনে” সর্ব্বোচ শাস্তির দাবিতে যশোরের শার্শায় বুধবার (৭ই অক্টোবর) সকাল ১০ টার সময় উপজেলার নাভারণ সাতক্ষীরা মোড়ে উদ্ভাবক মিজানুর রহমান মিজানের উদ্যোগে ৭ দফা দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

এসময় মানববন্ধন কর্মসূচিতে যোগ দেন, ঝিকরগাছা সেবা সংগঠন, ঝিকরগাছা সেবক সংগঠন, সার্চ মানবাধিকার কল্যান ট্রাস্ট শার্শা, নবীবনগর মিতালী যুব সংঘ ও বাঁকড়া স্বপ্নচূড়া সংগঠন সহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের কর্মীরা।

বক্তব্য রাখেন, নাভারণ মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ আসাদুজ্জামান আসাদ, যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক শিক্ষা বিযয়ক সম্পাদক আসিফ উদ-দৌলা সরদার অলোক, মানবাধিকার হেল্প ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা দেশসেরা উদ্ভাবক মিজানুর রহমান, যশোর জেলা সেবক সংগঠনের সভাপতি মতিয়ার রহমান, নাভারণ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহজাহান আলী, নাভারণ মহিলা কলেজের প্রভাষক রফিকুল ইসলাম বুলি, শার্শা উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক বদ্ধনাথ কুমার,সালমা খাতুন, সাংবাদিক মনিরুল ইসলাম মনিসহ আরও অনেকে।

বক্তারা বলেন, সারা দেশের ধারাবাহিক ধর্ষণের ঘটনার সঙ্গে কোনো না কোনো ক্ষমতাবান ব্যক্তি বা গোষ্ঠী সম্পৃক্ত। নিপীড়ন ও ধর্ষণকারীরা জানেন তাদের কোনো বিচার হবে না, শাস্তি হবে না। এ কারণেই তারা যা খুশি তাই করছেন। বিগত বছর চেয়ে চলতি বছরে ধর্ষণ অনেক গুন বেড়ে গেছে। বক্তরা নোয়াখালী বেগমগঞ্জ, সিলেট-খাগড়াছড়িসহ সারাদেশে ধর্ষণের সাথে জড়িতদের অতিদ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি ও সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহবান জানান।

মানববন্ধনে ৭ দফা দাবি ছিল,
১. ধর্ষণ আইন সংশোধনের মাধ্যমে সর্ব্বোচ শাস্তি মৃত্যুদন্ড নিশ্চিত করা।

২. ধর্ষণ প্রতিরোধে প্রতিটি জেলায় র্যাব/বিজিবি/পুলিশের যৌথ টাস্কফোর্স গঠন করা।

৩. ধর্ষণজনিত ঘটনা বা অপরাধের জন্য আলাদা দ্রুত ট্রাইবুনাল গঠন এবং ৩০-৬০ কার্যদিবসের মধ্যে বিচারকার্য সম্পাদনা নিশ্চিত করা।

৪. ধর্ষিতার বিনা মূল্যে চিকিৎসা এবং তার পরিবারকে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সকল প্রকার সহায়তা প্রদান করা।

৫. ইতিপূর্বে সকল ধর্ষণ মামলার রায় ৬ মাসের মধ্যে সম্পন্ন করা।

৬. ধর্ষণ ও অপরাধ প্রতিরোধে নির্জন রাস্তায় সচল সিসিটিভি স্থাপন করা।

৭. ধর্ষণকারী ও তার পরিবারকে সামাজিক ভাবে বয়কট করা এবং আশ্রয়দাতাদের আইনের আওতায় আনতে হবে।

আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 aponnewsbd
error: সাইটের কোন তথ্য কপি করা নিষেধ!!