সন্তান নষ্ট না করার কারণে স্বামী ও শাশুড়ি ও দাদী শাশুড়ির নির্যাতনে গৃহবধূ হাসপাতালে | আপন নিউজ

সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ১০:২৬ পূর্বাহ্ন

প্রধান সংবাদ
কলাপাড়ায় প্রধানমন্ত্রীর তহবিল থেকে নগদ অর্থ ও উপহার সামগ্রী বিতরণ সহাবস্থানের বাংলাদেশ গড়তে সবার সহযোগিতা চান এমপি এবিএম মোশাররফ হোসেন কলাপাড়ায় গৌরবোজ্জ্বল ৯৯ এর নতুন কমিটি গঠন উত্তর চাকামইয়া মানবিক সোসাইটির ঈদ উপহার বিতরণ গাছের সাথে বেঁ’ধে পিটু’নি: কলাপাড়ায় প্রাণ গেল মানসিক ভারসাম্যহীন বৃদ্ধের রাঙ্গাবালীতে বিএনপি’র দুই পক্ষের মধ্যে সং’ঘ’র্ষ: আ’হ’ত-১৫ তালতলীতে জমি দ’খ’ল করতে শতাধিক ভাড়াটিয়া স’ন্ত্রা’সী বা’হিনী এনে ঘর নির্মাণ প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের অনুদান পেল আমতলীর ১৬৫ পরিবার কুয়াকাটায় ঈদ উপলক্ষে ৫ হাজার নারীর মাঝে শাড়ি বিতরণ করলেন সাবেক পৌর মেয়র আনোয়ার সংবাদ প্রকাশের জেরে কুয়াকাটায় সাংবাদিককে হ’ত্যা’র হু’ম’কি, থানায় জিডি
সন্তান নষ্ট না করার কারণে স্বামী ও শাশুড়ি ও দাদী শাশুড়ির নির্যাতনে গৃহবধূ হাসপাতালে

সন্তান নষ্ট না করার কারণে স্বামী ও শাশুড়ি ও দাদী শাশুড়ির নির্যাতনে গৃহবধূ হাসপাতালে

আমতরী প্রতিনিধি: বরগুনার তালতলীতে গর্ভের সন্তান নষ্ট না করার কারণে স্বামী ও শাশুড়ির নির্যাতনে রুমা ইসলাম (২২) নামের এক গৃহবধূকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার মধ্যে রাতে তাকে তালতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

অভিযুক্ত স্বামী লিটন (২৩) শাশুড়ী মানসুরা বেগম(৪০), দাদী শাশুড়ি আলেয়া বেগম (৫৭) উপজেলার নিশান বাড়িয়া ইউনিয়নের ম্যনিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।

নির্যাতনের শিকার গৃহবধূ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ম্যানিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা খলিলের পুত্র লিটনের সাথে। বরগুনা জেলার বেতাগী উপজেলার সরিষা মুড়ি ইউনিয়নের গাবতলি গ্রামের বাসিন্দা কুদ্দুস ফকিরের মেয়ে রুমা ইসলামের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে ২০১৭ সালে
বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই যৌতুকসহ ঘরের আসবাবপত্র তার বাবার বাড়ি থেকে নিয়ে আসতে চাপ দেয় স্বামী ও শাশুড়ী দাদী শাশুড়ি। এসব না আনার কারণে তারা প্রতিনিয়ত গৃহবধূ রুমাকে মারধরসহ শাররীক নির্যাতন চালাত। এবং রুমাকে তালাক দিয়ে যৌতুক নিয়ে অন্যত্র লিটনকে বিবাহ করাবে।

জানা যায়, স্বামীর সংসার ধরে রাখার জন্য দ্বিতীয় সন্তানের মা হতে চলছে রুমা,স্বামী শাশুড়ী ও দাদী শাশুড়ী তাকে ঐ সন্তান না নেওয়ার জন্য ঔষধ খেয়ে সন্তানকে নষ্ট করে ফেলতে বলে। এতে রুমা রাজী না হওয়ায়,তাকে জোর পূর্বক ঔষধ খাওনের চেষ্টা করে। ব্যার্থ হয়ে সকলে মিলে সবাই মিলে রুমাকে মারধর করে। জীবন বাঁচাতে তার শশুর বাড়ি থেকে ১ কিলো দূরে ইউনুচ মিয়ার বাড়ির সামনে অজ্ঞান হয়ে পরে থাকে। এরপর স্থানীয়দের চেষ্টায় তার জ্ঞান ফিরলে পরিচয় নিশ্চিত হয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। তালতালী থানা পুলিশের একটি টিম আহত রুমাকে উদ্ধার করে, তার শাশুড়ী ও দাদী শাশুড়ীর হেফাজতে তালতলী সরকারি হাসপাতালে পাঠানো হয়।

তবে মানসুরা বেগম(৪০), দাদী শাশুড়ি আলেয়া,বেগম তারা কেহ রুমার গায়ে হাত দেয়নি লিটনের সাথে তর্কাতর্কি হয়েছে মাত্র।

তালতলী সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক আব্দুল্লাহ আল কাফি বলেছেন, পরীক্ষা-নিরীক্ষা না করে কিছু বলতে পারছি না।

তালতলী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাজী শাখাওয়াত হোসেন তপু বলেন, ঘটনার সংবাদ শুনে তালতলী থানা পুলিশের একটি টিম আহত ওই গৃহবধূকে উদ্ধার করে, হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved 2022 © aponnewsbd.com

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: JPHostBD
error: সাইটের কোন তথ্য কপি করা নিষেধ!!