গলাচিপায় কালবৈশাখী ঝড়ে ঘরবাড়ির ছাউনি উড়িয়ে নিলো | আপন নিউজ

শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ০৩:৫৮ পূর্বাহ্ন

প্রধান সংবাদ
ডাকসুর মতো ১২ তারিখ ট্রাকের বিজয় ইতিহাস সৃষ্টি করবে- নুরুল হক নুর আগামীতে বুক ফুলিয়ে চলতে চাই, কোন দু’র্নী’তি অ’নি’য়ম সহ্য করা হবে না-ডা: জহির উদ্দিন কলাপাড়া-কুয়াকাটা মহাসড়কে বেপরোয়া বাসের চা’পা’য় মানসিক ভারসাম্যহীন নারী নি’হ’ত কলাপাড়ায় ভাড়া বাসায় দুর্ধ’র্ষ চু’রি, নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লু’ট ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষে কলাপাড়ায় অভিভাবক সমাবেশ তালতলীতে গণভোটের পোস্টার ছিড়ে ফেলার অভিযোগ হাজারো মানুষের অশ্রুসিক্ত নয়নে চির বিদায় নিলেন মহিপুরের মন্নান হাওলাদার পায়রা বন্দর স্টিভেডরিং হ্যান্ডেলিং শ্রমিক ইউনিয়ন কার্যনির্বাহী কমিটির অভিষেক পরিচিতি সভা আমতলীতে ছয় শতাধিক মসজিদে এক লাখ ২০ হাজার মানুষের মাঝে গণভোটের প্রচারনা আমতলীতে এতিমদের মাঝে কম্বল বিতরন
গলাচিপায় কালবৈশাখী ঝড়ে ঘরবাড়ির ছাউনি উড়িয়ে নিলো

গলাচিপায় কালবৈশাখী ঝড়ে ঘরবাড়ির ছাউনি উড়িয়ে নিলো

সঞ্জিব দাস, গলাচিপাঃ গলাচিপা উপজেলায় সোমবার (১৫ মে) রাত ১০টায় কালবৈশাখী ঝড়ে ৫০টি বসতঘর, একটি হাফিজিয়া মাদরাসা ও মসিজদের চাল উড়ে গেছে। ঝড়ে উপড়ে গেছে অসংখ্য গাছ। ক্ষতিগ্রস্ত দরিদ্র পরিবারগুলো এখন খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছে। এলাকাবাসী ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাত ১০টার দিকে গলাচিপার পানপট্টি, সদর ইউনিয়ন ও আমখোলার বাদুড়া গ্রামে কালবৈশাখী তাণ্ডব চালায়। এতে কমপক্ষে ৫০টি বসতঘরের চালা উড়ে গেছে। আবার কারো ঘরের আংশিক ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ে শত শত গাছপালা উপড়ে গেছে। গাছ পড়ে বিদ্যুৎ লাইনেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। উপজেলার চিকনিকান্দী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়াডের সুচিত্রা রানী বলেন, আমার পাকের ঘরের চাল উড়িয়ে নিয়ে গেছে। রতনদী তালতলী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়াডের সাজিদা বেগম বলেন, আমার গরু ঘরের চাল উড়িয়ে নিয়েছে।

পানপট্টি ইউনিয়নের বিবির হাওলা গ্রামের জেলে মো. ফারুক মিয়া বলেন, ‘রাইতে মাছ ধইররা বাড়ি আসি। আইসসাই আকাশের অবস্থা খারাপ দেইখ্যা গরু বানতে (বাঁধতে) যাই। এসম হঠাৎ করে ঝড়ে আমার ঘরের উপর একটা বড় গাছ ভেঙ্গে পড়ে। ঘরটি মাটির সাথে মিশে দেয়। আমার স্ত্রী-সন্তানদের চিৎকারে দৌড়ে যাই। ওদের নিয়ে আমি পাশের বিলে চলে যাই।’

একই ইউনিয়নের গুপ্তের হাওলা গ্রামের মো. রফিক হাওলাদার বলেন, ‘আকাশের অবস্থা খারাপ দেইখ্যা আমার গরুর কাছে যাই। এর মধ্যেই আমার বাচ্চারা চিৎকার করে ঘর ছেড়ে দৌড়ে বাইরে চলে যায়। কিছু বুঝে উঠার আগেই দেহি আমার ঘরের চালের উপর বড় একটি চাম্বল গাছ চাপা দিছে। আল্লাহ এখন প্রাণ বাঁচাইছে। ঘর তছনছ করে দিছে।

পানপট্টি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মাসুদ রানা বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো বেশির ভাগই জেলে। এরা দিন আনে দিন খায়। এদের একেক পরিবারের দুই-তিনবার নদীভাঙনে বাড়িঘর বিলীন হয়েছে। জীবনের শেষ সম্বলটুকু দিয়ে মাথা গোঁজার ঠাঁই করেছিল তারা। আজ সব শেষ হয়ে গেল। কোনো সহায়তা না পেলে এদের জন্য দুর্বিষহ অবস্থার সৃষ্টি হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মহিউদ্দিন আল হেলাল বলেন, আমরা ঘূর্ণিঝড় মোখার কবল থেকে বেঁচে গেছি। কিন্তু তার একদিন পরই কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে অনেক ঘর-বাড়ি ও গাছপালার ক্ষতি হয়েছে। যারা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদেরকে আমরা স্থানীয়ভাবে সহায়তা করার চেষ্টা করছি। আর যারা কম ক্ষতিগ্রস্ত তাদেরকে আবেদন করার অনুরোধ করছি।

আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved 2022 © aponnewsbd.com

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: JPHostBD
error: সাইটের কোন তথ্য কপি করা নিষেধ!!