করোনায় কলাপাড়ায় নিম্নে মধ্যবিত্তদের পাশে কেউ নেই | আপন নিউজ

শনিবার, ০২ মার্চ ২০২৪, ০১:৫২ অপরাহ্ন

করোনায় কলাপাড়ায় নিম্নে মধ্যবিত্তদের পাশে কেউ নেই

করোনায় কলাপাড়ায় নিম্নে মধ্যবিত্তদের পাশে কেউ নেই

রাসেল মোল্লাঃ

কলাপাড়া পৌর শহরের বাদুরতলী ,কাজী নজরুল ইসলাম সড়ক, সবুজ বাগ, মঙ্গলসুখ রোড, এতিমখানা সড়ক, শিকদার সড়ক এলাকায় উচ্চবিত্ত ও নিম্নে মধ্যবিত্তদের বসাবাস বেশি। লকডাউনের কারণে হঠৎ করেই বিচ্ছিন্ন জনপদে পরিনত হয়েছে ব্যাস্ত তম শহর কলাপাড়া পৌর শহর সহ উপজেলার সব এলাকা। চক্ষু লজ্জায় কষ্টগুলো প্রকাশ করেনা এসব এলাকার নিম্নে মধ্যবিত্ত পরিবার গুলো তাদের পাশে নেই উপজেলা প্রশাষন ও জনপ্রতিনিধিরা।
কলাপাড়া পৌর শহরের হাজী মাকের্টের মটর পার্স ব্যবসায়ীও মোকানিস দুলাল মন্ডল ভালোই চলে তার দোকান। দুজন কর্মচারীও আছেন ব্যবসা থেকে যে আয় হয় তাতেই চলে যায় দশ জনের সংসার। কিন্তু তার কোনো সঞ্চয় নাই। গত বিশ বছর ব্যবসা করলেও এমন সংকটে কখনোই পড়েননি তিনি।করোনার প্রভাবে দোকান বন্ধ থাকায় অনিশ্চয়তায় পড়ে অন্ধকার দেখছেন চোখে মুখে। কী ভাবে সংসার চালাবেন ,কি করে দেবেন দোকান ভাড়া ।নিম্নে মধ্যবিত্ত হওয়া কাউকে এমন কষ্টের কথা বলতেও পারছেনা। অনেকটা আক্ষেপের সুরেই বলেন,বড় লোকের টাকার অভাব নেই। গরিবরা ত্রান পায়। নিম্নে মধ্যবিত্তরা না খেয়ে চোখের পানি লুকায় কাউকে প্রকাশ করতে পারে না। মঙ্গলসুখ রোডের মোঃ আবু মুছা একটি প্রাইভোট স্কুলে চাকরী করে মোটামুটি ভালো চলছিল ভাড়া বাসায় তার চার সদস্যর সংসার কিন্তু করোনার প্রাদুর্ভাবের কারনে বর্তমানে স্কুল বন্ধ হওয়ার কারনে বেতনও বন্ধ এই অবস্থায় চিন্তায় তার মাথায় হাত। কী করবেন কী করা উচিত, ভেবে উঠতে পারছেনা তিনি মঙ্গলসুখ রোডের আরেক ক্ষুদে দোকানী হানিফ আকন আচার আর ঝাল মুড়ি বিক্রি করে চার সদস্যর সংসার চালাতে করোনার কারনে স্কুল বন্ধ থাকায় তার দোকানটি বর্তমানে বন্ধ রয়েছে তিনি নিম্নে মধ্যবিত্ত হওয়া সে রয়েছে মহা বিপদে তার কপালে জেটেণি কোনে ত্রাণ। কলাপাড়া পৌর শহরের শিকদার সড়কের দিগির পার এলাকার শোর আলী ফকির, বাদুরতলী এলাকার চুন্নু মিয়া, তারা সবাই নিম্নে মধ্যবিত্ত পরিবারের লোক। আবেগাপ্লুত হয়ে তারা বলেন,এটা কোন জীবন হলো।সংসার চালাতে যুদ্ধ করতে হচ্ছে। চক্ষুলজ্জায় কষ্টগুলো প্রকাশ করা যায় না। ওইযে আমরা নিম্নে মধ্যবিত্ত।
আমাদের কোনো কষ্ট নেই। আছে শুধু সুখ ।কিন্তু এর আড়ালে আমরা যে কত কষ্টে জীবন-যাপন সকরি, তা বোঝানে যায়না। কেউ বোঝারও চেষ্টা করে না। এছাড়া যারা দৈনিক আয়ের ওপর নির্ভর করেন, তারা পরেছেন বেশি বিপদে। যেমন অটো চালক সালাউদ্দিন মিয়া, হোটেল ব্যবসায়ী এরশাদ, আনোয়ার ওজাকির করোনাভাইরাসের কারনে তাদের আয় বন্ধ তারাও রয়েছে বিপদে এমনটাই জানান তারা। কলাপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এস এম রাকিবুল আহসান বলেন, বর্তমান সরকার গরীব বান্দব সরকার পর্যায়ক্রমে সকল নিম্নে মধ্যবিত্ত পরিবার সরকারী সাহায্য পাবে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবু হাসনাত মোহাম্মদ শহিদুল হক জানান, কলাপাড়া উপজেলায় উপজেলা প্রশাষনের মাধ্যেমে দুই হাজার পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দেওয়া হয়েছে যে নিম্নে মধ্যবিত্ত পরিবার খাদ্য সহায়তা পায়নি তাদেরকে পর্যায়ক্রমে দেওয়া হবে

আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved 2022 © aponnewsbd.com

Design By JPHostBD
error: সাইটের কোন তথ্য কপি করা নিষেধ!!